হোম / আজান ও ইকামত / জুমার আযান কয়টি?

জুমার আযান কয়টি?

প্রশ্ন:

জুমার আযান কয়টি? সম্পর্কে আমার প্রশ্ন। হুজুর! বর্তমানে জুমার আযান নিয়ে সমাজে ফেৎনা দেখা দিয়েছে। অনেককেই বলতে শোনা যায়, জুমার আযান একটি। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর যামানায় জুমার আযান একটিই ছিল। দুই আযানের কোন অস্তিত্ব ছিল না। সুতরাং জুমার দ্বিতীয় আযান এটি বেদআত।

আমার জানার বিষয় হলো, আসলেই কি ইসলামী শরীয়তে জুমার দ্বিতীয় আযানের কোন অনুমোদন নেই? দলীলের আলোকে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

মুহাম্মদুল্লাহ্

পলাশ, নরসিংদী

উত্তর :

জুমার আযান কয়টি?

জুমার আযান দুইটি। দলীলের আলোকে নিম্নে জুমার আযান দুইটি হওয়ার কারণ ও ইতিহাস তুলে ধরা হলো :

জুমার নামাজের দ্বিতীয় আজানের ইতিহাস

عن السَّائِب بْن يَزِيدَ يَقُولُ: إِنَّ الأَذَانَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ كَانَ أَوَّلُهُ حِينَ يَجْلِسُ الإِمَامُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عَلَى الْمِنْبَرِ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ رضى الله عنهما، فَلَمَّا كَانَ فِي خِلاَفَةِ عُثْمَانَ رضى الله عنه وَكَثُرُوا، أَمَرَ عُثْمَانُ يوْمَ الْجُمُعَةِ بِالأَذَانِ الثَّالِثِ، فَأُذِّنَ بِهِ عَلَى الزَّوْرَاءِ، فثبَتَ الأَمْرُ عَلَى ذَلِكَ‏. بخاري: 916‏

সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর এবং ‘উমার (রাযি.)-এর যুগে জুমার দিন ইমাম যখন মিম্বারের উপর বসতেন, তখন প্রথম আযান দেয়া হত। অতঃপর যখন ‘উসমান (রাযি.)-এর খিলাফাতের সময় এলো এবং লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেল, তখন জুমার দিন তৃতীয় আযানের নির্দেশ দেন।

‘যাওরা’ (মসজিদে নববীর অদূরে ‘যাওরা’ নামক বাজার) নামক স্থান হতে এ আযান দেয়া হয়, পরে এ আযানের সিলসিলা চলতে থাকে। (তখন একামতকেও আযান হিসেবে গণ্য করা হতো, তাই তৃতীয় আযান বলা হয়েছে।) -সহীহ্ বুখারী ৯১৬

হাদীসে লক্ষ করার বিষয় হলো, فَثَبَتَ الأَمْرُ عَلَى ذَلِكَ ‘পরে এ আযানের সিলসিলা চলতে থাকে’। আর ইসলামিক ফাউন্ডেশনে তরজমা করা হয়েছে, ‘পরে এ আযান অব্যাহত থাকে’। তাহলে বুঝা গেলো, জুমার দ্বিতীয় আযান এমনি এমনি চালু হয়ে যায়নি। বরং হযরত উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহুর খেলাফতকালে স্বয়ং খলীফা নিজে এর নির্দেশ দেন।

খুলাফায়ে রাশিদীনের তৃতীয় খলীফার নির্দেশে এই আযান এর সূচনা হয়। বর্ণনাটি সহীহ্ বুখারীর। তাহলে সহীহ্ বুখারীর বর্ণনায় জুমার দ্বিতীয় আযান প্রমাণিত হলো।

সুনানে আবু দাউদ এর মধ্যে এসেছে,

عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي السَّائِبُ بْنُ يَزِيدَ، أَنَّ الأَذَانَ، كَانَ أَوَّلُهُ حِينَ يَجْلِسُ الإِمَامُ عَلَى الْمِنْبَرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِي عَهْدِ النَّبِيِّ صلي الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ – رضى الله عنهما – فَلَمَّا كَانَ خِلَافَةُ عُثْمَانَ وَكَثُرَ النَّاسُ أَمَرَ عُثْمَانُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ بِالأَذَانِ الثَّالِثِ فَأُذِّنَ بِهِ عَلَى الزَّوْرَاءِ فَثَبَتَ الأَمْرُ عَلَى ذَلِكَ

সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) সূত্রে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আবূ বকর এবং ’উমার (রাঃ) এর যুগে জুমু’আহর প্রথম আযান দেয়া হতো ইমাম মিম্বারে বসলে। কিন্তু ’উসমান (রাঃ) এর খিলাফাতের সময় জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি জুমু’আহর সালাতের জন্য তৃতীয় আযানের নির্দেশ দেন। এ আযান সর্বপ্রথম (মদীনার) আয-যাওরা নামক স্থানে দেয়া হয়। এরপর থেকেই এ নিয়ম বহাল হয়ে যায়। -আবু দাউদ ১০৮৭

অতএব, পূর্বোক্ত হাদীসদ্বয় থেকে আমরা জানতে পারলাম, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, হযরত আবূ বাকর ও হযরত উমার (রাঃ)-এর যামানায় জুমার মাত্র একটি আযানই প্রচলিত ছিল। আর এ আযান দেওয়া হত, যখন ইমাম খুতবাহ্ দেওয়ার জন্য মিম্বরে চড়ে বসতেন তখন মসজিদের দরজার সামনে উঁচু জায়গায় দাঁড়িয়ে। এইরুপ আযান চালু ছিল হযরত আবূ বাকর, উমারের খেলাফত কাল পর্যন্ত।

অতঃপর হযরত উসমান (রাঃ) মদ্বীনার বাড়ি-ঘর দূরে দূরে এবং জনসংখ্যা বেশী দেখে উক্ত আযানের পূর্বে আরো একটি অতিরিক্ত আযান চালু করলেন। যাতে লোকেরা পূর্ব থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে জুমআর খুতবাহ্ শুনতে প্রথম থেকেই উপস্থিত হয়।

এ আযান শুনে লোকেরা জুমুআহর সময় উপস্থিত হয়েছে বলে জানতে পারত। এইভাবে ঐ আযান প্রচলিত থাকল। এতে কেউ তাঁর প্রতিবাদ বা সমালোচনা করল না। বরং আমলটি এভাবেই চলতে লাগল।

তাহলে একথা স্পষ্ট হলো যে, হযরত উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহুর আগে জুমার আজান একটি ছিল। যা খুতবার আগে ইমামের সামনে দরজায় দাঁড়িয়ে দেয়া হতো। যেমনটি সুনানে আবূ দাউদের হাদীসে বর্ণিত হয়েছেঃ-

عَنِ السَّائِبِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ كَانَ يُؤَذَّنُ بَيْنَ يَدَىْ رَسُولِ اللهِ صلي الله عليه وسلم إِذَا جَلَسَ عَلَى الْمِنْبَرِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ عَلَى بَابِ الْمَسْجِدِ وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ. أبو داود: 1088

আস-সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জুমু‘আহর দিন যখন মিম্বারের উপর বসতেন তখন তাঁর সামনে মাসজিদের দরজায় দাঁড়িয়ে আযান দেয়া হতো। আবূ বাকর ও ‘উমার (রাঃ) এর সামনেও অনুরূপ করা হতো। [আবূ দাউদ, হাদীস নং-১০৮৮]

জুমার দ্বিতীয় আযান কোথায় দিবে?

তবে জেনে রাখতে হবে যে,জুমআর সানী আজান মিম্বরের সামনে, দরজার কাছে, মসজিদের ভিতরে, বারান্দায়, মসজিদের যেকোন স্থানেই দেয়া জায়েজ আছে। যেহেতু দরজার সামনে দেয়াও জায়েজ আছে তাই, এ নিয়ে বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়। তবে সুন্নাহ সম্মত আমল মিম্বরের সামনেই দেয়া। অন্যত্র দিলেও সমস্যা নেই।

وإذا صعد الإمام المنبر جلس وأذن المؤذن بين يدى المنبر بذلك جرى التوارث (هداية-1/151، مجمع الأنهر-1/171، ملتقى الأبحر-1/171)

ويؤذن ثانيا بين يديه أى الخطيب أى على سبيل السنية كما يظهر من كلامهم (رد المحتار-3/98)

إن التأذين عند الخطبة محله عند الإمام وبذلك جرى التوارث على ما قال صاحب الهداية، قلت فبطل بذلك قول من زعم أن التأذين عند الخطبة فى المسجد بدعة (حاشية آثار السنن-2/95، العرف الشذى على هامش الترمذى-1/116)

وكذا فى الهندية-1/149، جديد-1/210، كبيرى، كتاب الصلاة، فصل فى صلاة الجمعة-520، 561، البحر الرائق-2/274، مراقى الفلاح-515

জুমার আযান কয়টি? মর্মে মাসিক আত-তাহরীর এর ফাতাওয়া

অতএব তিনি যে কারণে দ্বিতীয় আযান যাওরাতে চালু করেছিলেন, সে কারণ এখনও থাকলে তাকে নাজায়েয কিংবা বিদ‘আত বলা যাবে না। কিন্তু উক্ত কারণ যদি না থাকে, তাহ’লে বিদ‘আত হিসাবে গণ্য হবে (বিস্তারিত আলোচনা দ্রঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), ৪র্থ সংস্করণ পৃঃ ১৯৪-১৯৬)। এই লিংক থেকে নেয়া হয়েছে। চাইলে যাচাই করতে পারেন।  https://at-tahreek.com/article_details/6645

জুমার আযান কয়টি? মর্মে শায়েখ বিন বায রহ. এর ফাতাওয়া

فتاوى بن باز

الجمعة لها أذان واحد، هذا هو الأصل، وهذا هو المفترض عند دخول الخطيب وهو الواقع في عهد النبي ﷺ، كان إذا دخل الخطيب أذن بلال، ثم زاد عثمان أذانًا ثانيًا مستحب لتنبيه الناس على أن اليوم يوم الجمعة قبل الأذان الأول، يعني قبل الأذان السابق الذي عند دخول الخطيب يأذن به قبل الوقت بنص ساعة أو نحوها أو ساعة؛ حتى يعلم الناس الجمعة، وحتى يستعدوا للمجيء

وقد درج السلف على هذا تأسيًا بـعثمان في عهد عثمان وفي عهد علي وعهد الصحابة بعد عثمان ، ثم درج عليه السلف الصالح، فهذا مشروع من عمل الخلفاء الراشدين، والرسول قال: عليكم بسنتي وسنة الخلفاء الراشدين المهديين من بعدي، ومعلوم أن عثمان وعليًّا كلهم من الخلفاء الراشدين

فالسنة أن يؤتى بأذان أول للجمعة؛ للتنبيه، كما فعل عثمان ومن بعده، أما الأذان الأول الذي عند دخول الخطيب فهذا هو الموجود في عهد النبي ﷺ وهو المفترض

ফাতাওয়াটি শায়েখ বিন বায রহিমাহুল্লার ওয়েব থেকে নেয়া। -https://binbaz.org.sa/

শায়েখের ফাতাওয়ার সংক্ষিপ্ত অনুবাদ

অত:পর হযরত উসমান রাযিয়াল্লাহু আনহু দ্বিতীয় আযান যোগ করেন। এটি মুস্তাহাব। এই আযানটি হয় মানুষকে সতর্ক করার জন্য যে, আজ জুমার দিন, যাতে তারা জুমার প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারে। সালাফগণ হযরত উসমান রা. এর অনুসরণে হযরত উসমান রা. এর খেলাফতকালে এবং তৎপরবর্তী হযরত আলী ও সাহাবায়ে কেরামের যুগে আমল করেন।

সুতরাং এই ‍দ্বিতীয় আযান খোলাফয়ে রাশিদীনের আমল দ্বারা প্রমাণিত। অতএব, সুন্নত হলো, জুমার দিন প্রথম আযান দেয়া। যেমনটি হযরত উসমান রা. এবং পরবর্তীতে সালাফগণ করেছেন।

জুমার আযান সম্পর্কেও খোলাফায়ে রাশিদীন এর আমল আমাদের অনুসরণীয়

عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَمْرٍو السُّلَمِيُّ، وَحُجْرُ بْنُ حُجْرٍ، قَالَا: أَتَيْنَا الْعِرْبَاضَ بْنَ سَارِيَةَ، وَهُوَ مِمَّنْ نَزَلَ فِيهِ (وَلَا عَلَى الَّذِينَ إِذَا مَا أَتَوْكَ لِتَحْمِلَهُمْ قُلْتَ لَا أَجِدُ مَا أَحْمِلُكُمْ عَلَيْهِ) [التوبة: ٩٢] فَسَلَّمْنَا، وَقُلْنَا: أَتَيْنَاكَ زَائِرِينَ وَعَائِدِينَ وَمُقْتَبِسِينَ، فَقَالَ الْعِرْبَاضُ: صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ذَاتَ يَوْمٍ، ثُمَّ أَقْبَلَ عَلَيْنَا فَوَعَظَنَا مَوْعِظَةً بَلِيغَةً ذَرَفَتْ مِنْهَا الْعُيُونُ وَوَجِلَتْ مِنْهَا الْقُلُوبُ، فَقَالَ قَائِلٌ: يَا رَسُولَ اللَّهِ كَأَنَّ هَذِهِ مَوْعِظَةُ مُوَدِّعٍ، فَمَاذَا تَعْهَدُ إِلَيْنَا؟

فَقَالَ أُوصِيكُمْ بِتَقْوَى اللَّهِ وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ، وَإِنْ عَبْدًا حَبَشِيًّا، فَإِنَّهُ مَنْ يَعِشْ مِنْكُمْ بَعْدِي فَسَيَرَى اخْتِلَافًا كَثِيرًا، فَعَلَيْكُمْ بِسُنَّتِي وَسُنَّةِ الْخُلَفَاءِ الْمَهْدِيِّينَ الرَّاشِدِينَ، تَمَسَّكُوا بِهَا وَعَضُّوا عَلَيْهَا بِالنَّوَاجِذِ، وَإِيَّاكُمْ وَمُحْدَثَاتِ الْأُمُورِ، فَإِنَّ كُلَّ مُحْدَثَةٍ بِدْعَةٌ، وَكُلَّ بِدْعَةٍ ضَلَالَةٌ. أبوداود: 4607، وفي الترمذي: 2676، قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ ابن ماجه: 43

আব্দুর রাহমান ইবনু আমর আস-সুলামী ও হুজর ইবনু হুজর (রাঃ) বলেন, একদা আমরা আল-ইরবাদ ইবনু সারিয়াহ (রাঃ)-এর নিকট আসলাম। যাদের সম্পর্কে এ আয়াত নাযিল হয়েছে তিনি তাদের অন্তর্ভুক্তঃ ’’তাদেরও কোনো অপরাধ নেই যারা তোমার নিকট বাহনের জন্য এলে তুমি বলেছিলেঃ আমি তোমাদের জন্য কোনো বাহনের ব্যবস্থা করতে পারছি না।’’ (সূরা আত-তওবাঃ ৯২)।

আমরা সালাম দিয়ে বললাম, আমরা আপনাকে দেখতে, আপনার অসুস্থতার খবর নিতে এবং আপনার কাছ থেকে কিছু অর্জন করতে এসেছি। আল-ইরবাদ (রাঃ) বললেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সঙ্গে নিয়ে সালাত আদায় করলেন, অতঃপর আমাদের দিকে ফিরে আমাদের উদ্দেশ্য জ্বালাময়ী ভাষণ দিলেন, তাতে চোখগুলো অশ্রুসিক্ত হলো এবং অন্তরগুলো বিগলিত হলো।

তখন এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ যেন কারো বিদায়ী ভাষণ! অতএব আপনি আমাদেরকে কি নির্দেশ দেন? তিনি বলেনঃ আমি তোমাদেরকে আল্লাহভীতির, শ্রবণ ও আনুগত্যের উপদেশ দিচ্ছি, যদিও সে (আমীর) একজন হাবশী গোলাম হয়। কারণ তোমাদের মধ্যে যারা আমার পরে জীবিত থাকবে তারা অচিরেই প্রচুর মতবিরোধ দেখবে।

তখন তোমরা অবশ্যই আমার সুন্নাত এবং আমার হিদায়াতপ্রাপ্ত খলীফাহগণের সুন্নাত অনুসরণ করবে, তা দাঁত দিয়ে কামড়ে আঁকড়ে থাকবে। সাবধান! (ধর্মে) প্রতিটি নব আবিষ্কার সম্পর্কে! কারণ প্রতিটি নব আবিষ্কার হলো বিদ’আত এবং প্রতিটি বিদ’আত হলো ভ্রষ্টতা। -ইবনে মাজাহ্ ৪৩

আহলে সালাফ মিডিয়া সার্ভিসের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ

Check Also

রোযা ও তারাবীর মাসায়েল

রোযা ও তারাবীর মাসায়েল জানা আমাদের সবার জন্যই জরুরী।  যাতে করে আমাদের সকলের রোযাগুলো সহীহ্ …

আপনি কিভাবে তালাক দিবেন?

আপনি কিভাবে তালাক দিবেন? প্রবন্ধটি তালাকের ক্ষেত্রে একটি সহজ সরল উপস্থাপন। এতে একজন স্বামী তার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!