প্রশ্ন :
সালাফী আকীদা সম্পর্কে আমার জানার বিষয় হলো, সালাফী আকীদা মানে কি? দেওবন্দীদের সাথে সালাফী আকীদার বিরোধ কোথায়? দেওবন্দীরা কি সালাফী আকীদা মানে না? নাকি দেওবন্দীদের আকীদা সালাফীরা মানে না! বিষয়টা আসলে কি? বর্তমানের লা-মাযহাবীরা মানুষকে এসব বিষয় নিয়ে ধাঁদায় ফেলে রেখেছে। তাই এ সম্পর্কে হুজুরের কাছে বিস্তারিত জানতে চাই।
মান্জুরুল ইসলাম
উত্তর :
সালাফী আকীদা
প্রথমত: আপনার শব্দচয়ন ‘সালাফী আকীদা’ সম্পর্কে বলতে চাই। আসলে ‘সালাফী আকীদা’ এ কথাটাই ভুল। যদিও শিরোনামে আমরাও এই শব্দটিই চয়ন করেছি, মানুষের মাঝে কথাটির বেশ প্রচলনের কারণে। নতুবা বাস্তবে বললে বলতে হবে ‘সালাফদের আকীদা’। কারণ, সালাফী আকীদা আর সালাফদের আকীদা এক নয়।
সালাফিদের আকিদা বা সালাফি আকিদা কি
এক কথায় সালাফদের আকিদা। আর সালাফ হচ্ছেন, তিন স্বর্ণযুগ: সাহাবা, তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈ।
সালাফী আকীদা বনাম সালাফদের আকীদা
সালাফদের আকীদা হলো, সাহাবা-তাবেঈন ও তাবে-তাবেঈন তথা খাইরুল কুরুনের উলামায়ে কেরামের আকীদা। আর সালাফী আকীদা হলো, বর্তমানের লা-মাযহাবী, গাইরে মুকাল্লিদ সালাফদের আকীদার দাবিদারদের আকীদা। বাস্তবে বর্তমানের সালাফী আর খাইরুল কুরুনের সালাফদের আকীদা তে রয়েছে আকাশ-পাতাল তফাত। আমাদের ধারাবাহিক আলোচনায় বিষয়টি একদম সূরযের ন্যায় স্পষ্ট হয়ে যাবে -ইনশাআল্লাহ্।
সালাফি অর্থ কি, সালাফি কারা বা সালাফী ও সালাফিয়াত পরিচিতি
সাহাবা-তাবেঈন ও তাবে-তাবেঈনের পথ ও মত এর ধারক-বাহক ও অনুসারী। এহিসেবে এর মধ্যে ইমামে আ‘যম আবু হানীফা রহ.ও রয়েছেন। কারণ, তিনি একজন সু-প্রসিদ্ধ তাবেঈ। রয়েছেন ইমাম মালেক রহ.ও। কারণ, তিনি একজন তাবে-তাবেঈ। আল্লাহ্ তায়ালা আমাদেরকে আসল সালাফী হওয়ার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন।
সালাফি মতবাদ
সালাফী কোন মতবাদ নয়। তারপরও যদি কেউ সালাফি মতবাদ মানে কি প্রশ্ন করেন তাহলে বলব, সাহাবা-তাবেঈন ও তাবে-তাবেঈনের পথ ও মত এর ধারক-বাহক ও অনুসারী। আর এধারা কেয়ামত পর্যন্ত বাকী থাকবে -ইনশাআল্লাহ্।
হানাফি বনাম সালাফি
বহুল আলাচিত ও সমালোচিত প্রশ্ন এটি। এক কথায় এর উত্তর হচ্ছে, সালাফী মানে যদি সাহাবা-তাবেঈ ও তাবে-তাবেঈগ এর পথ ও মত এর অনুসারী বোঝানো হয়, তাহলে হানাফিরাই আসল সালাফী। আর যদি সালাফী মানে বর্তামনের লা-মাযহাবী, গাইরে মুকাল্লিদদেরকে বুঝানো হয়, তাহলে এই সালাফীদের সাথে আসল সালাফী হানাফীদের কোনই সম্পর্কে নেই। হ্যাঁ, মুসলিম হিসেবে তারাও হানাফীদের মুসলিম ভাই -এতেও কোন সন্দেহ নেই।
সালাফী আকীদা বনাম দেওবন্দী আকীদা
আমাদের জানা উচিৎ, সালাফদের আকীদা আর উলামায়ে দেওবন্দের আকীদার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। এটা দেওবন্দী উলামায়ে কেরামের উপর একটা জঘন্য অপবাদ। পুরা আলোচনা আমরা গুরুত্বের সাথে পড়লে বিষয়টির বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারব ইনশাআল্লাহ্। আমরা এখন ‘সালাফী আকীদা বনাম দেওবন্দী আকীদা পর্ব- ১’ আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি।
কুরআনের আয়াতগুলো দুই ভাগে বিভক্ত
هُوَ الَّذِیۡۤ اَنۡزَلَ عَلَیۡكَ الۡكِتٰبَ مِنۡهُ اٰیٰتٌ مُّحۡكَمٰتٌ هُنَّ اُمُّ الۡكِتٰبِ وَ اُخَرُ مُتَشٰبِهٰتٌ ؕ فَاَمَّا الَّذِیۡنَ فِیۡ قُلُوۡبِهِمۡ زَیۡغٌ فَیَتَّبِعُوۡنَ مَا تَشَابَهَ مِنۡهُ ابۡتِغَآءَ الۡفِتۡنَۃِ وَ ابۡتِغَآءَ تَاۡوِیۡلِهٖ ۚ وَ مَا یَعۡلَمُ تَاۡوِیۡلَهٗۤ اِلَّا اللّٰهُ ؔ وَ الرّٰسِخُوۡنَ فِی الۡعِلۡمِ یَقُوۡلُوۡنَ اٰمَنَّا بِهٖ ۙ كُلٌّ مِّنۡ عِنۡدِ رَبِّنَا ۚ وَ مَا یَذَّكَّرُ اِلَّاۤ اُولُوا الۡاَلۡبَابِ ﴿۷
তিনিই আপনার প্রতি এই কিতাব নাযিল করেছেন যার কিছু আয়াত ‘মুহকাম’, এগুলো কিতাবের মূল আর অন্যগুলো ‘মুতাশাবিহ’, সুতরাং যাদের অন্তরে বক্রতা রয়েছে শুধু তারাই ফেৎনা এবং ভুল ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে মুতাশাবিহাতের অনুসরণ করে। অথচ আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কেউ এর ব্যাখ্যা জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর তারা বলে, আমরা এগুলোতে ঈমান রাখি, সবই আমাদের রবের কাছ থেকে এসেছে’ এবং জ্ঞান-বুদ্ধিসম্পন্ন লোকেরা ছাড়া আর কেউ উপদেশ গ্রহণ করে না।
আয়াতের সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা
এক.
আয়াতে আল্লাহ তা’আলা কুরআনের সুস্পষ্ট ও অস্পষ্ট আয়াতের কথা উল্লেখ করে একটি সাধারণ মুলনীতি ও নিয়মের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন। যার দ্বারা অনেক আপত্তি ও বাদানুবাদের অবসান ঘটে। এর ব্যাখ্যা এরূপ, কুরআনুল কারীমে দুই প্রকার আয়াত রয়েছে। এক প্রকারকে মুহকামাত তথা সুস্পষ্ট আয়াত এবং অপর প্রকারকে মুতাশাবিহাত তথা অস্পষ্ট আয়াত বলা হয়। প্রথম প্রকার আয়াতকে আল্লাহ্ তা’আলা ‘উম্মুল কিতাব’ আখ্যা দিয়েছেন। এর অর্থ এই যে, এসব আয়াতই সমগ্র শিক্ষার মূল ভিত্তি। এসব আয়াতের অর্থ যাবতীয় অস্পষ্টতা ও জটিলতামুক্ত।
দ্বিতীয় প্রকার আয়াতে বক্তার উদ্দেশ্য অস্পষ্ট ও অনির্দিষ্ট হওয়ার কারণে এগুলো সম্পর্কে বিশুদ্ধ পন্থা হল, এসব আয়াতকে প্রথম প্রকার আয়াতের আলোকে দেখা। যে আয়াতের অর্থ প্রথম প্রকার আয়াতের বিপক্ষে যায়, তাকে সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করে বক্তার এমন উদ্দেশ্য বুঝতে হবে, যা প্রথম প্রকার আয়াতের বিপক্ষে নয়।
উদাহরণত: ঈসা আলাইহিস সালাম সম্পর্কে কুরআনের সুস্পষ্ট উক্তি এরূপ-
(إِنْ هُوَ إِلَّا عَبْدٌ أَنْعَمْنَا عَلَيْهِ)
অর্থাৎ “সে আমার নেয়ামত প্রাপ্ত বান্দা ছাড়া অন্য কেউ নয়।” [সূরা আয-যুখরুফঃ ৫৯]
অন্যত্র বলা হয়েছে: (إِنَّ مَثَلَ عِيسَىٰ عِنْدَ اللَّهِ كَمَثَلِ آدَمَ خَلَقَهُ مِنْ تُرَابٍ)
অর্থাৎ “আল্লাহ্র কাছে ঈসার উদাহরণ হচ্ছে আদমের অনুরূপ আল্লাহ্ তাকে সৃষ্টি করেছেন মৃত্তিকা থেকে।” [সূরা আলে-ইমরানঃ ৫৯]
এসব আয়াত এবং এ ধরনের অন্যান্য আয়াত থেকে পরিস্কার বুঝা যায় যে, ঈসা আলাইহিস সালাম আল্লাহ্ তা’আলার মনোনীত এবং তার সৃষ্ট। অতএব তিনি উপাস্য, তিনি আল্লাহর পুত্র-নাসারাদের এসব দাবী সম্পূর্ণ বানোয়াট।
তারা যদি كَلِمَةُ الله ‘আল্লাহর কালেমা’ বা رُوْحٌ مِنْهُ ‘তাঁর পক্ষ থেকে রূহ’ শব্দদ্বয় দ্বারা দলীল নেয়ার চেষ্টা করে তখন তাদের বলতে হবে যে, পূর্বে বর্ণিত আয়াতসমূহের আলোকেই এশব্দদ্বয়কে বুঝতে হবে। সে আলোকে উপরোক্ত كَلِمَةُ الله ও رُوْحٌ مِنْهُ শব্দদ্বয় সম্পর্কে এটাই বলতে হয় যে, ঈসা আলাইহিস সালাম আল্লাহর নির্দেশে সৃষ্ট হয়েছেন এবং তাঁর পক্ষ থেকে পাঠানো একটি রূহ মাত্র।
দুই.
বলা হয়েছে, যাদের অন্তরে বক্রতা রয়েছে তারা মুতাশাবিহাতের অনুসরণ করে। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদল লোককে কুরআনের আয়াত সম্পর্কে পরস্পর বাদানুবাদে লিপ্ত দেখে বললেন, “তোমাদের পূর্বের লোকেরা এ কারণেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।
তারা আল্লাহর কিতাবের একাংশকে অপর অংশের বিপরীতে ব্যবহার করত। আল্লাহর কুরআন তো এ জন্যই নাযিল হয়েছিল যে, এর একাংশ অপর অংশের সত্যয়ণ করবে। সুতরাং তোমরা এর একাংশকে অপর অংশের কারণে মিথ্যারোপ করো না। এর যে অংশের অর্থ তোমরা জানবে সেটা বলবে, আর যে অংশের অর্থ জানবে না সেটা আলেম বা যারা জানে তাদের কাছে সোপর্দ করো।” -মুসনাদে আহমাদ ৬৭৪১
তিন.
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, গভীর জ্ঞানের অধিকারীগণ কি এ সমস্ত মুতাশাবিহাতের অর্থ জানে কি না? কোন কোন মুফাসসির এখানেتَأْوِيل শব্দের অর্থভেদে এর উত্তর দিয়েছেন। কারণ, تَأْوِيل শব্দটির এক অর্থ, তাফসীর বা ব্যাখ্যা। অপর অর্থ, সেই প্রকৃত উদ্দেশ্য, যার জন্য আয়াতটি নিয়ে আসা হয়েছে। যদি প্রথম অর্থ উদ্দেশ্য হয়, তবে এর কোন কোন অর্থ মুফাসসিরগণ করেছেন। যা ব্যাখ্যার পর্যায়ে পড়ে। সে হিসেবে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছিলেন, ‘আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত যারা এগুলোর تَأْوِيل তথা ব্যাখ্যা জানে। [তাবারী]
আর যদি দ্বিতীয় অর্থ উদ্দেশ্য হয়, তখন এর অর্থ আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ জানে না। অধিকাংশ সাহাবী, তাবেয়ী এই দ্বিতীয় অর্থ গ্রহণ করে বলেছেন যে, মুতাশাবিহাতের প্রকৃত উদ্দেশ্য আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ জানে না। যেমন, আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন,
গভীর জ্ঞানের অধিকারী আলেমদের জ্ঞানের দৃঢ়তার পরিচয় এই যে, তারা মুহকাম ও মুতাশাবিহ সব ধরনের আয়াতের উপরই ঈমান এনেছে, অথচ তারা মুতাশাবিহ আয়াতসমূহেরتَأْوِيل তথা প্রকৃত ব্যাখ্যা জানে না। অনুরূপভাবে উবাই ইবন কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘গভীর জ্ঞানের অধিকারী আলেমগণ এগুলোর تَأْوِيل তথা প্রকৃত ব্যাখ্যা জানে না, বরং তারা বলে, আমরা এগুলোতে ঈমান আনি, সবই আমাদের রবের কাছ থেকে এসেছে। [তাবারী]
তাহলে উক্ত আয়াতে আল্লাহ্ তা’আলা বর্ণনা করেন যে, যারা সুস্থ স্বভাবসম্পন্ন তারা অস্পষ্ট আয়াত নিয়ে বেশী তথ্যানুসন্ধান ও ঘাটাঘাটি করে না; বরং তারা সংক্ষেপে বিশ্বাস করে যে, এ আয়াতটিও আল্লাহর সত্য কালাম। তবে তিনি কোন বিশেষ হেকমতের কারণে এর অর্থ সম্পর্কে আমাদের অবহিত করেননি। প্রকৃতপক্ষে এ পন্থাই বিপদমুক্ত ও সতর্কতাযুক্ত।
এর বিপরীতে কিছুসংখ্যক লোক এমনও আছে, যাদের অন্তর বক্র। তারা সুস্পষ্ট আয়াত থেকে চক্ষু বন্ধ করে অস্পষ্ট আয়াত নিয়ে ঘাটাঘাটিতে লিপ্ত থাকে এবং তা থেকে নিজ মতলবের অনুকূলে অর্থ বের করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার প্রয়াস পায়। এরূপ লোকদের সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসে কঠোর সতর্কবাণী উচ্চারিত হয়েছে।
হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ আয়াতখানি তিলাওয়াত করে বললেন, “যখন তোমরা তাদেরকে দেখবে যারা এ সমস্ত (মুতাশাবিহ) আয়াতের পিছনে দৌড়াচ্ছে, তখন বুঝে নিবে যে, আল্লাহ এ সমস্ত লোকের কথাই পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করেছেন। তখন তাদের থেকে সাবধান থাকবে।” -বুখারী ৪৫৪৭; মুসলিম: ২৬৬৫
মুতাশাবিহাত সম্পর্কে সালাফের নীতি
মুতাশাবিহ আয়াত সম্পর্কে সালাফের কর্মপন্থা এটাই ছিল, তারা এই সকল আয়াত সম্পর্কে বলতেন, আমরা এগুলোর উমর ঈমান রাখি। নিম্নে কিছু দৃষ্টান্ত উল্লেখ করা হলো।
হযরত উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর একটি ঘটনা
عَنْ نَافِعِ مَوْلَى عَبْدِ اللهِ : أَنَّ صَبِيْغًا الْعِرَاقِي جَعَلَ يَسْأَلُ عَنْ أَشْيَاءَ مِنَ الْقُرْآنِ فِي أَجْنَادِ الْمُسْلِمِيْنَ حَتَّى قَدِمَ مِصْرَ، فَبَعَثَ بِهِ عَمْرُو بْنُ الْعَاصِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِلى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ، فَلَمَّا أَتَاهُ الرَّسُوْلُ بِالْكِتَابِ فَقَرَأَهُ فَقَالَ: أَيْنَ الرَّجُلُ؟ فَقَالَ: فِي الرَّحْلِ، قَالَ عُمَرُ : أَبْصِرْ أَنْ يَكُوْنَ ذَهَبَ فَتُصِيبَكَ مِنِّي بِهِ الْعُقُوبَةُ الْمُوجِعَةُ،
فَأَتَاهُ به فَقَالَ عُمَرُ : تَسْأَلُ مُحْدَثَةً، فَأَرْسَلَ عُمَرُ إِلَى رَطَائِبَ مِنْ جَرِيدٍ ، فَضَرَبَهُ بِهَا حَتَّى تَرَكَ ظَهْرَهُ دَبِرَةً، ثُمَّ تَرَكَهُ حَتَّى بَرأَ ، ثُمَّ عَادَ لَهُ ، ثُمَّ تَرَكَهُ حَتَّى بَرأَ فَدَعَا بِهِ لِيَعُودَ لَهُ ، قَالَ : فَقالَ صَبِيغٌ : إِنْ كُنْتَ تُرِيدُ قَتْلِي، فَاقْتُلْنِي قَتْلاً جَمِيلًا، وَإِنْ كُنْتَ تُرِيدُ أَنْ تُدَاوِيَنِي، فَقَدْ وَاللَّهِ بَرَأْتُ، فَأَذِنَ لَهُ إِلَى أَرْضِهِ، وَكَتَبَ إِلى أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أَنْ لَا يُجَالِسَهُ أَحَدٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ، فَاشْتَدَّ ذلِكَ عَلَى الرَّجُلِ ، فَكَتَبَ أَبُو مُوسَى إِلَى عُمَرَ: أَنْ قَدْ حَسُنَتْ تَوْبَتُهُ، فَكَتَبَ عُمَرُ : أَنِ ائْذَنْ لِلنَّاسِ بِمُجَالَسَتِهِ.
হযরত নাফে (রহ.) থেকে বর্ণিত, সাবীগে ইরাকী মুসলিম সৈন্যদেরকে কুরআন মাজীদ (-এর আয়াতে মুতাশাবিহাত) সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করত। মিসর আসার পর আমর ইবনুল আস (রা.) তাকে (দূত মারফত) হযরত উমর (রা.)এর নিকট পাঠিয়ে দেন। দূত পত্র নিয়ে খলীফা উমর (রা.)-এর নিকট পৌঁছালে তিনি তা পাঠ করেন এবং বলেন, লোকটি কোথায়? উত্তরে দূত বলল, উটের হাওদায় আছে। হযরত উমর (রা.) বললেন- দেখ, সে চলে গেল কি না । তাকে উপস্থিত করতে না পারলে তোমাকে কঠিন শাস্তি দেব।
তাকে উপস্থিত করা হলে উমর (রা.) বলেন, তুমি নাকি নতুন নতুন (বিভ্রান্তিকর) প্রশ্ন কর? এরপর তিনি খেজুরের কাঁচা ডাল আনালেন এবং তাকে এত প্রহার করলেন যে, পিঠে ফোস্কা পড়ে গেল। তারপর সুস্থ হওয়া পর্যন্ত বিরতি দিয়ে পুনরায় অনুরূপ প্রহার করেন।
এরপর সাবীগ বলল, আপনি যদি আমাকে জীবনে শেষ করতে চান, তাহলে একবারে (বারবার কষ্ট না দিয়ে) মেরে ফেলুন। আর যদি আমার সংশোধন উদ্দেশ্য হয়ে থাকে, তাহলে আল্লাহর কসম! আমার উচিত শিক্ষা হয়ে গেছে। এরপর সে স্বদেশে (ইরাকে) ফেরার অনুমতি লাভ করল।
হযরত উমর (রা.) এ মর্মে ইরাকের গভর্নর আবু মূসা আশআরী (রা.) কে লিখে পাঠালেন, কোন মুসলমান যেন তার সঙ্গে ওঠা-বসা না করে। এটা সাবীগের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়ালে পুনরায় আবু মূসা আশআরী (রা.) উমর (রা.) কে লিখে জানান, তার তওবা খালেস প্রমাণিত হয়েছে। ফলে হযরত উমর (রা.) মুসলমানদেরকে তার সঙ্গে ওঠা-বসার অনুমতি প্রদান করেন। -সুনানে দারেমী ১৫২
ইমাম তিরমিযী রহ. সালাফদের বক্তব্য যেভাবে উল্লেখ করেছেন
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ” يَجْمَعُ اللَّهُ النَّاسَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فِي صَعِيدٍ وَاحِدٍ ثُمَّ يَطَّلِعُ عَلَيْهِمْ رَبُّ الْعَالَمِينَ فَيَقُولُ أَلاَ يَتْبَعُ كُلُّ إِنْسَانٍ مَا كَانُوا يَعْبُدُونَهُ . فَيُمَثَّلُ لِصَاحِبِ الصَّلِيبِ صَلِيبُهُ وَلِصَاحِبِ التَّصَاوِيرِ تَصَاوِيرُهُ وَلِصَاحِبِ النَّارِ نَارُهُ فَيَتْبَعُونَ مَا كَانُوا يَعْبُدُونَ وَيَبْقَى الْمُسْلِمُونَ فَيَطَّلِعُ عَلَيْهِمْ رَبُّ الْعَالَمِينَ فَيَقُولُ أَلاَ تَتَّبِعُونَ النَّاسَ فَيَقُولُونَ نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْكَ نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْكَ اللَّهُ رَبُّنَا هَذَا مَكَانُنَا حَتَّى نَرَى رَبَّنَا .
وَهُوَ يَأْمُرُهُمْ وَيُثَبِّتُهُمْ ثُمَّ يَتَوَارَى ثُمَّ يَطَّلِعُ فَيَقُولُ أَلاَ تَتَّبِعُونَ النَّاسَ فَيَقُولُونَ نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْكَ نَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْكَ اللَّهُ رَبُّنَا وَهَذَا مَكَانُنَا حَتَّى نَرَى رَبَّنَا . وَهُوَ يَأْمُرُهُمْ وَيُثَبِّتُهُمْ ” . قَالُوا وَهَلْ نَرَاهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ” وَهَلْ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَةِ الْقَمَرِ لَيْلَةَ الْبَدْرِ ” . قَالُوا لاَ يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ ” فَإِنَّكُمْ لاَ تُضَارُّونَ فِي رُؤْيَتِهِ تِلْكَ السَّاعَةَ.
ثُمَّ يَتَوَارَى ثُمَّ يَطَّلِعُ فَيُعَرِّفُهُمْ نَفْسَهُ ثُمَّ يَقُولُ أَنَا رَبُّكُمْ فَاتَّبِعُونِي . فَيَقُومُ الْمُسْلِمُونَ وَيُوضَعُ الصِّرَاطُ فَيَمُرُّونَ عَلَيْهِ مِثْلَ جِيَادِ الْخَيْلِ وَالرِّكَابِ وَقَوْلُهُمْ عَلَيْهِ سَلِّمْ سَلِّمْ . وَيَبْقَى أَهْلُ النَّارِ فَيُطْرَحُ مِنْهُمْ فِيهَا فَوْجٌ ثُمَّ يُقَالُ هَلِ امْتَلأْتِ فَتَقُولُ هَلْ مِنْ مَزِيدٍ . ثُمَّ يُطْرَحُ فِيهَا فَوْجٌ فَيُقَالُ هَلِ امْتَلأْتِ . فَتَقُولُ هَلْ مِنْ مَزِيدٍ . حَتَّى إِذَا أُوعِبُوا فِيهَا وَضَعَ الرَّحْمَنُ قَدَمَهُ فِيهَا وَأُزْوِيَ بَعْضُهَا إِلَى بَعْضٍ ثُمَّ قَالَ قَطْ قَالَتْ قَطْ قَطْ.
فَإِذَا أَدْخَلَ اللَّهُ أَهْلَ الْجَنَّةِ الْجَنَّةَ وَأَهْلَ النَّارِ النَّارَ قَالَ أُتِيَ بِالْمَوْتِ مُلَبَّبًا فَيُوقَفُ عَلَى السُّورِ الَّذِي بَيْنَ أَهْلِ الْجَنَّةِ وَأَهْلِ النَّارِ ثُمَّ يُقَالُ يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ . فَيَطَّلِعُونَ خَائِفِينَ ثُمَّ يُقَالُ يَا أَهْلَ النَّارِ . فَيَطَّلِعُونَ مُسْتَبْشِرِينَ يَرْجُونَ الشَّفَاعَةَ فَيُقَالُ لأَهْلِ الْجَنَّةِ وَأَهْلِ النَّارِ هَلْ تَعْرِفُونَ هَذَا فَيَقُولُونَ هَؤُلاَءِ وَهَؤُلاَءِ قَدْ عَرَفْنَاهُ هُوَ الْمَوْتُ الَّذِي وُكِّلَ بِنَا . فَيُضْجَعُ فَيُذْبَحُ ذَبْحًا عَلَى السُّورِ الَّذِي بَيْنَ الْجَنَّةِ وَالنَّارِ ثُمَّ يُقَالُ يَا أَهْلَ الْجَنَّةِ خُلُودٌ لاَ مَوْتَ وَيَا أَهْلَ النَّارِ خُلُودٌ لاَ مَوْتَ ” .
قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . – وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم رِوَايَاتٌ كَثِيرَةٌ مِثْلُ هَذَا مَا يُذْكَرُ فِيهِ أَمْرُ الرُّؤْيَةِ أَنَّ النَّاسَ يَرَوْنَ رَبَّهُمْ وَذِكْرُ الْقَدَمِ وَمَا أَشْبَهَ هَذِهِ الأَشْيَاءَ وَالْمَذْهَبُ فِي هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنَ الأَئِمَّةِ مِثْلِ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَمَالِكِ بْنِ أَنَسٍ وَابْنِ الْمُبَارَكِ وَابْنِ عُيَيْنَةَ وَوَكِيعٍ وَغَيْرِهِمْ أَنَّهُمْ رَوَوْا هَذِهِ الأَشْيَاءَ ثُمَّ قَالُوا تُرْوَى هَذِهِ الأَحَادِيثُ وَنُؤْمِنُ بِهَا وَلاَ يُقَالُ كَيْفَ وَهَذَا الَّذِي اخْتَارَهُ أَهْلُ الْحَدِيثِ أَنْ تُرْوَى هَذِهِ الأَشْيَاءُ كَمَا جَاءَتْ وَيُؤْمَنُ بِهَا وَلاَ تُفَسَّرُ وَلاَ تُتَوَهَّمُ وَلاَ يُقَالُ كَيْفَ وَهَذَا أَمْرُ أَهْلِ الْعِلْمِ الَّذِي اخْتَارُوهُ وَذَهَبُوا إِلَيْهِ .
আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ বলেছেনঃ কিয়ামত দিবসে আল্লাহ তা’আলা সমস্ত মানুষকে একটি ময়দানে একত্রিত করবেন, তারপর রাব্বুল আলামীন তাদের সামনে আত্মপ্রকাশ করে বলবেনঃ পৃথিবীতে যে যার অনুসরণ করতো, এখন কেন সে তার পদাঙ্ক অনুসরণ করবে না? অতএব, ক্রুশ পূজারীদের জন্য ক্রুশ, মূর্তি পূজারীদের জন্য মূর্তি, অগ্নি উপাসকদের জন্য আগুন উপস্থাপন করা হবে এবং সকলেই নিজ নিজ পূজনীয় মা’বুদদের সাথে চলবে।
আর মুসলিমগণ তাদের জায়গাতেই থেকেই যাবে। রাব্বুল আলামীন তাদের সামনে প্রকাশিত হয়ে হয়ে বলবেনঃ তোমরা কেন ঐসব মানুষদের অনুসরণ করছে না? তারা বলবে, নাউযুবিল্লাহ মিনকা, নাউযুবিল্লাহ মিনকা (আল্লাহ তা’আলার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি)। আল্লাহ তা’আলাই আমাদের প্রভু। আর এটা আমাদের জায়গা। আমরা আমাদের প্রভুর সাক্ষাৎ পাবার পূর্বমুহুর্ত পর্যন্ত এ স্থান ছেড়ে যাবো না। তিনি তাদেরকে নির্দেশ দিবেন এবং তাদেরকে নিজ জায়গায় অটল রাখবেন।
তারপর আল্লাহ তা’আলা অদৃশ্য হয়ে যাবেন। তিনি পুনরায় তাদের সামনে প্রকাশিত হয়ে বলবেন, তোমরা কেন ঐ সব মানুষের অনুসরণ করছে না? তারা বলবে, নাউযুবিল্লাহ মিনকা, নাউযুবিল্লাহ মিনকা, আল্লাহ আমাদের রব এবং এটা আমাদের অবস্থানস্থল। আমরা আমাদের রবের দেখা পাওয়ার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত এ জায়গা ছেড়ে যাবো না। তিনি তাদেরকে আদেশ দিবেন এবং স্বস্থানে দৃঢ় রাখবেন।
সাহাবীগণ প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমরা কি আমাদের প্রভুর দেখা পাবো? তিনি বললেনঃ তোমাদের কি পূর্ণিমার রাতের চাঁদ দেখতে অন্যদেরকে কষ্ট দিতে হয়? তারা বললেন, না, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি,বললেনঃ অনুরূপভাবে সে সময় তোমরা তাকে দেখার জন্য তোমাদের কাউকেও যন্ত্রণা দিতে হবে না। তারপর আল্লাহ তা’আলা আড়ালে চলে যাবেন।
তিনি পুনরায় তাদের সামনে প্রকাশিত হয়ে নিজের পরিচিতি উপস্থাপন করে বলবেন? আমিই তোমাদের প্রভু। তোমরা আমার অনুসরণ কর। মুসলিমগণ উঠে দাড়াবে। চলার পথে পুলসিরাত স্থাপন করা হবে। তারা তা খুব সহজেই দ্রুতগামী ঘোড়া ও উটের মতো অতিক্রম করবে এবং এর উপরে তাদের ধ্বনি হবেঃ সাল্লিম সাল্লিম’ (হে আল্লাহ আমাদেরকে শান্তিতে রাখো)।
জাহান্নামীরা অতিক্রম না করতে পেরে এখানেই থেকে যাবে। তাদের মধ্য হতে একটি দলকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে এবং জাহান্নামকে প্রশ্ন করা হবে, তোর পেট ভরেছে কি? সে বলবে, আরো আছে কি? আবার আরেকটি দলকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে এবং প্রশ্ন করা হবে, তোর পেট ভরেছে কি? সে বলবে, আরো আছে কি? এভাবে সমস্ত জাহান্নামীকে যখন জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে, তখন দয়ালু প্ৰভু আল্লাহ তা’আলা তার পা এর উপর রাখবেন এবং এর এক অংশ আরেক অংশের সাথে সংকুচিত হয়ে যাবে। তিনি বলবেন, যথেষ্ট হয়েছে তো। জাহান্নাম বলবে, হ্যাঁ, যথেষ্ট হয়েছে, যথেষ্ট হয়েছে।
এরপর আল্লাহ তা’আলা যখন জান্নাতীদেরকে জান্নাতে এবং জাহান্নামীদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন, তখন মৃত্যু’-কে গলায় কাপড় বেঁধে টেনে আনা হবে এবং জান্নাতী ও জাহান্নামীদের মাঝখানের প্রাচীরে রাখা হবে। তারপর ডেকে বলা হবে, হে জান্নাতীগণ! তারা ভয়ে ভয়ে আত্মপ্রকাশ করবে। তারপর বলা হবে, হে জাহান্নামীগণ! তারাও সুসংবাদ মনে করে শাফাআত লাভের আশায় আত্মপ্রকাশ করবে। তারপর জান্নাতী ও জাহান্নামীদেরকে প্রশ্ন করা হবে, তোমরা কি একে চিনো? জান্নাতী ও জাহান্নামীরা বলবে, হ্যাঁ আমরা একে চিনে ফেলেছি। এটা মৃত্যু যা আমাদের উপর নির্দিষ্ট করা হয়েছিল।
তারপর মৃত্যুকে চিৎ করে শোয়ানো হবে এবং জান্নাত ও জাহান্নামের মধ্যকার প্রাচীরের উপর যবেহ করা হবে। তারপর বলা হবে, হে জান্নাতীগণ! তোমরা চিরকাল জান্নাতে থাকবে। এরপর আর মৃত্যু নেই। হে জাহান্নামীগণ! তোমরা চিরকাল জাহান্নামে থাকবে, এরপর আর মৃত্যু নেই।
হাদীসটি উল্লেখ করার পর ইমাম তিরমিযী রহ. উলামায়ে সালাফের মাযহাব সম্পর্কে বলেন
আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আল্লাহ তা’আলার সাক্ষাৎ লাভ বিষয়ক এরকম অনেক হাদীস বর্ণিত আছে। মানুষ আল্লাহ তা’আলার সাক্ষাৎ লাভ করবে এবং (তার) পা বা একই রকম বিষয়েরও উল্লেখ আছে। সুফইয়ান সাওরী, মালিক ইবনু আনাস, ইবনু মুবারাক, সুফইয়ান ইবনু উআইনা ও ওয়াকী (রহঃ) প্রমুখ ইমামগণ এই জাতীয় বিষয় বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন, তা বর্ণনা করা যাবে এবং আমরা এগুলোতে বিশ্বাস করি। কিন্তু এগুলো কেমন হবে তা প্রশ্ন করা যাবে না।
মুহাদ্দীসগণও এই মতামত গ্রহণ করেছেন যে, যেভাবে এই জাতীয় হাদীস বর্ণিত হয়ে এসেছে, ঠিক সেভাবেই বর্ণনা করা যাবে এবং এই বিষয়ের উপর বিশ্বাসও রাখতে হবে। কিন্তু এর ব্যাখ্যা করা যাবে না এবং সংশয় পোষণও করা যাবে না, তার হাত-পা এগুলো কেমন তাও বলা যাবে না। আলিমগণ এই অভিমতই অবলম্বন করেছেন। -সুনানে তিরমিযী ২৫৫৭
১ম পর্ব, ২য় পর্ব, ৩য় পর্ব, ৪র্থ পর্ব
আহলে সালাফ মিডিয়া সার্ভিসের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য জাযাকাল্লাহ্
আহলে সালাফ মিডিয়া সার্ভিস Ahle Salaf Media Service
২ comments
Pingback: সালাফী আকীদা বনাম দেওবন্দী আকীদা, পর্ব- ৪
Pingback: সালাফী আকীদা বনাম দেওবন্দী আকীদা, পর্ব- ৩